বাংলাদেশ
না ফেরার দেশে রিটায়ার্ড মেজর আব্দুল মুকিত চৌধুরী, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকার সামরিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন

Obituary by Mohib Chy: দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রিটায়ার্ড মেজর আব্দুল মুকিত চৌধুরী (পাশা) আর নেই
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (৫ এপ্রিল) ভোরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক রিটায়ার্ড মেজর আব্দুল মুকিত চৌধুরীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে তাঁকে ঢাকার বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
রিটায়ার্ড মেজর আব্দুল মুকিত চৌধুরী ঢাকার পরিবার পরিজন নিয়ে উত্তরায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুরের কুবাজপুর গ্রামে।
তিনি সুনামগঞ্জে প্রাইমারি ও হাইস্কুল জীবন শেষ করে সিলেটে এমসি কলেজে ভর্তি হন। ইন্টারমিডিয়েট পাশের পর ঢাকা থেকে তিনি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। তিনি ১৯৬৬ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন প্রাপ্ত হন।
রিটায়ার্ড মেজর আব্দুল মুকিত চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক রাগিব হোসেন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি নুরুর রব চৌধুরী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার এম ইনামুল কবির ইমন, ব্যারিস্টার শীলা ইমন, ব্যারিস্টার এম মোরশেদ চৌধুরী, লন্ডন থেকে আব্দুল মজিদ চৌধুরী, নতুনদিন২৪ ডট কমের বার্তা সম্পাদক পলি রহমান, এন রব লিলু চৌধুরী, শামীম চৌধুরীসহ আরো অনেকে।
এক শোক বার্তায় তাঁরা রিটায়ার্ড মেজর আব্দুল মুকিত চৌধুরীকে নিয়ে মধুর সব স্মৃতি উল্লেখ করেন। তাঁরা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
এছাড়াও লন্ডন প্রবাসী সাবেক মেয়র গোলাম মোরতজা, এ মুকিত এমবিই, ফিরোজ মিয়া, দুলন মিয়া, নুরুল হক দুলু, জানু মিয়া, সাজ্জাদ মিয়া ও জাহান আহমদ এবং তাঁর নিজ গ্রাম কুবাজপুর থেকে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন চেয়ারম্যান শহিদুল হক রানা, মিলাদ মিয়া (ইউপি মেম্বার), আনফর উল্লাহ ও সাজাদ মিয়াসহ আরো অনেকেই। তাঁরা তাদের বার্তায় উল্লেখ করেন যে, রিটায়ার্ড মেজর আব্দুল মুকিত চৌধুরীর ছিল গ্রামের মানুষের প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা।
মহিব চৌধুরী তাঁর স্মৃতিচারণে বলেন, মেজর মুকিত ছিলেন আমাদের পাশা ভাই। একজন সৎ, কর্মট ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি। তিনি ছিলেন সর্বদা পরোপকারী মানুষ। ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মহিব চৌধুরী আরো বলেন, ছুটি কাটাতে বাড়িতে আসলে বাড়ির সব যুবকদের নিয়ে শারীরিক চর্চা ও মানুষিক বিকাশের জন্য উৎসাহ প্রদান করতেন। তাঁর মত একজন ব্যক্তিকে হারিয়ে তাঁর বন্ধু, আত্মীয়, স্বজন, গ্রামবাসী মর্মাহত। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, তাঁর বাবা মরহুম এডভোকেট আব্দুল খালিক চৌধুরীও ছিলেন পরোপকারী ও স্বনামধন্য ব্যক্তি। তাঁর দুই বোন ছিলেন। একজন বিচারপতি এ হান্নান চৌধুরীর স্ত্রী এবং অপরজন এ রইছ (সাবেক এমপি) এর স্ত্রী ও ব্যারিস্টার এম ইনামুল কবির ইমনের মাতা।
এদিকে তার ছেলে রুশু চৌধুরী তাঁর বাবার আত্মার মাগফেরাতের জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।
নিউজঃ পলি রহমান।



