কমিউনিটি
ইউকে বিডি টিভির পক্ষ থেকে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবি

লিমন ইসলাম: পেশাগত দায়িত্বে গিয়ে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক.সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের হেনস্তা-মামলা-কারাবাসের ঘটনা দেশের মতো প্রবাসেও বেশ তোলপাড় পড়েছে।এ নিয়ে ইউকে বিডি টিভি সহ ইউরোপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকরা ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর খায়রুল আলম লিংকন. ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম. ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম. ফাইন্যান্স ডিরেক্টর শাহ শাফি কাদির ও পোগ্রাম ডিরেক্টর হেলেন ইসলাম. সাংবাদিক শাহজাহান মিয়া ও সাংবাদিক শাহ নেওয়াজ চৌধুরী সুমন সহ পরিচালনা কমিটির অন্যান্য ডিরেক্টরবৃনদ এক যুক্ত বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাওয়া একজন অনুসন্ধানী ও উদ্যমী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও সাজানো মামলায় জড়ানো গণতন্ত্র ও স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি, সরকারকে সাংবাদিক সমাজের মুখোমুখি দাঁড় করোনোর গভীর যড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করে অবিলম্বে রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।
ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও ডেইলি সিলেট এন্ড দৈনিক মৌলভীবাজার মৌমাছিকন্ঠের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর বিবৃতিতে
বলেন দূর্নীতি এবং অনিয়ম এর বিরুদ্ধে মানণীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকার সবসময় জিরো টলারেন্স নিতি অবলম্বন করে আসছেন এমতাবস্থায় সরকারকে সাংবাদিক সমাজের মুখোমুখি দাঁড় করোনোর গভীর যড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে টুঁটি চেপে ধরে ৬ ঘণ্টা আটকে রেখে ও মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি করা হলো, তাতে কেউই লাভবান হবে না। দেশে-বিদেশে বাংলাদেশ আজ প্রশ্নের সম্মুখীন। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো গণতন্ত্রের ও অনিবার্য অনুষঙ্গ মুক্ত সাংবাদিকতার। এ চরম ক্ষতিটা কি অদক্ষতার না উদ্দেশ্যমূলক- তার তদন্ত হওয়াটা বেশি জরুরি বলে উল্লেখ করে বলেন সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম এর অপরাধ যাই হোক.গায়ে হাত তুলার অপরাধে দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ও মামলা করা উচিৎ..সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে শুধু মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে বলে তিনি জোর দাবি জানান।
বিবৃতিতে সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর আর ও বলেন নিউজটি যদি সত্য হয়ে থাকে কাজী জেবুন্নেছা একজন অতিরিক্ত সচিবের কানাডায় ৩ টি বাড়ি, পুর্ব লন্ডনে ১ টি এবং ঢাকায় রয়েছে আরো ৪টি বাড়ী,গাজীপুরে ২১ বিঘা জমি।নামে-বেনামে রয়েছে ৮০ কোটি টাকার এফডিআর। এখবর শুনে বিস্মিত হয়েছি। দুদক এর মাধ্যমে তদন্ত করে যথাযথ ব্যাবস্থা নেওয়া হোক ; সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি। তার বিরুদ্ধে আনীত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। আর যে সমস্ত সরকারি কর্মকর্তা পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ব ভুলে একজন সাংবাদিকের উপর এভাবে চড়াও হয়েছেন এসব নির্যাতনকারী সকল সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহ দুর্নীতিবাজদের শাস্তি প্রদানের জোর দাবি জানাচ্ছি।



