বাংলাদেশ

বৃটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বৃটিশ ভিসা অফিস ঢাকায় ফিরিয়ে আনার আহবান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর 

বৃটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বৃটিশ ভিসা অফিস ঢাকায় ফিরিয়ে আনার আহবান জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন ভিসা জটিলতায় প্রায় ৩ হাজার ছাত্র বৃটেনে ঠিক সময় আসতে পারছেনা। 

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিদর্শন করেন পোর্টসমাউথ সিটি। এ সময় পোর্স্টসমাউথ ইউনিভার্সিটির আমন্ত্রণে “সবার সাথে বন্ধুত্ত কারো সাথে বৈরিতা নয়” শীর্ষক সেমিনারে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন বাংলাদেশ  সারা পৃথিবীতে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে বেড়ায় শত্রুদের সাথেও বন্ধুত্তের হাত বাড়িয়ে দেয়। আর এটাই আমাদের পররাষ্ট্রনীতি।

ইউকে এবং বাংলাদেশের পারস্পরিক বন্ধুত্তের কথা ও বলেন তিনি। বৃটিশ ভিসা অফিস ঢাকাতে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে যে কথা হয়েছে তাও উল্লেখ করেন বক্তৃতায়

পোর্টসমাউথ এবং সিলেট সিটির মধ্যকার সিস্টার সিটি চুক্তি হয়েছে গত ২০১৯ সালে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরো  জোরদার হবে। এদিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিটির লর্ড মেয়রের আমন্ত্রণে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় মিলিত হন।

দিনের শুরুতেই পোর্টসমাউথ বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুস্টিত সভায় যোগ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।  পোর্টসমাউথ শহর ছোট হলেও প্রায় ১০ হাজারের মতো বাংলাদেশী আছেন এই শহরে।

শহরের নানা স্থাপনা ঘুরে দেখে অভিভূত তিনি।

পোর্স্টসমাউথ ইংল্যান্ডের একটি অন্যতম পর্যটন নগরী। তবে এ শহরকে বৃটেনের বন্দর নগরীও বলা হয়। রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস, মেরী রোজ শিপের কাহীনি জ্ঞানপিপাসু পর্যটকদের যেভাবে আকৃষ্ট করে তেমনি হারবার পাড়ে ঘূরে বেড়ানোর দৃশ্য পর্যটকদের বার বার টানে পোর্টসমাউথের দিকে। রয়েছে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়, নেভল বেজ , পোর্ট সহ ব্যবসা সম্প্রসারণের ধারণ সুযোগ।

সম্ভাবনা আছে এমন দেশে বাণিজ্য বিস্তারে বাংলাদেশ সরকার  ইতিবাচক দৃষ্টিভংগি নিয়ে কাজ করছে বলে জানান  যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনীম।

সন্ধ্যা নামতেই পোর্টসমাউথ সিটির দীর্ঘ লম্বা  স্পিনিকার টাওয়ার সেজে যায় বাংলাদেশের পতাকা লাল সবুজ রঙে। লন্ডন থেকে মাত্র ৭২  মাইল দূরে ইংল্যান্ডের দক্ষিণদিকের শহরে লাল সবুজের হাতছানি সত্যিই গর্বের।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, পোর্টসমাউথ হারবার, নেভল বেজ,  এবং পোর্টসামাউথ ইউনিভার্সিটির সহযোগীতা পেলে নানা উন্নয়নকর্মে উপকৃত হবে উভয় দেশ। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার ইতিবাচক।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close