বৃটেন

মেয়র মঈন কাদরির আমন্ত্রনে বার্কিং টাউন হলে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিনিধি দল

বার্কিং এন্ড ডাগেহ্যাম কাউন্সিলের ব্রিটিশ বাংলাদেশী মেয়র মঈন কাদরির আমন্ত্রনে বার্কিং টাউনহল পরিদর্শনে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ। গত ১০ সেপ্টেম্বর ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের আহমদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল বার্কিং টাউন হলে পৌঁছালে মেয়র সাংবাদিকদের স্বাগত জানান।

সাংবাদিকদের সম্মানে  মেয়রের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় মধ্যাহ্ন ভোজের।  এর পর সাংবাদিকদের সাথে ঘণ্টা ব্যাপী বৈঠকে মেয়র বারার ইতিহাস ঐতিহ্য এবং মালটিক্যালচারাল এই বারার নাগরিকদের সুযোগ সুবিধার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। মেয়র জানান  রাজার প্রতিনিধি হিসেবে মেয়ররা নাগরিকদের দেখভাল করেন। মেয়র বলেন একসময় এই এলাকা ছিল বর্ণবাদী  ব্রিটিশ ন্যাশনাল পার্টি (বিএনপি‘র) ঘাটি হিসেবে পরিচিত। বর্ণবাদীদের কারণে সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের লোকজন ছিল কোণঠাসা। চাকুরী, হাউজিং, শিক্ষা  এমনকি পাবলিক ট্রান্সপোট সকল দিক থেকে কালো ও এশিয়ান সম্প্রদায়ের মানুষদের হয়রানির শিকার হতে হত। এখন আর বর্ণবাদীরা নেই এই বারার কাউন্সিলারদের অধিকাংশই মাইগ্রেন্ট কমিউনিটির বর্তমানে এই বারায় ৭ জন বাঙ্গালী কাউন্সিলার রয়েছেন।

মেয়র

মঈন কাদরি সহ আরো যারা হলেন কাউন্সিলর গিয়াসউদ্দিন মিয়া, কাউন্সিলর ফারুক চৌধুরী, কাউন্সিলর রিতা বেগম, কাউন্সিলর সদরুজ্জামান খান, কাউন্সিলর সৈয়দ গনি ও কাউন্সিলর মুহিব চৌধুরী। ২০১৪ সালে মঈন কাদরী প্রথম কাউন্সিলর নির্বাচিত হোন। ২০২৪ সালে মেয়র নির্বাচিত হন এবং দায়িত্ব পালন করবেন ২০২৫ সাল পর্যন্ত।

বারার নাগরিকরা এই এলাকাকে সম্পৃতির বারা হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তিন লক্ষ্যাদিক জনসংখ্যার   বার্কিং ডাগেনহ্যাম এলাকায় এখন খৃষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, হিন্দু এবং মুসলিমরা এক দৃষ্টান্ত  স্থাপন করেছেন।  গড়ে উঠেছে ধর্মীয় সম্পৃতি।

এসময় মেয়র সাংবাদিকদের  কাউন্সিলের মেয়র পার্লার, চেম্বার হল সহ বিভিন্ন রুম ঘুরে দেখান।  মেয়র বলেন বর্তমানে এই এলাকায়, ইংরেজ, নাইজেরীয়, ভারতীয়, পাকিস্তানী শ্রীলংকান, আরবিয়ান ক্যারাবিয়ানদের  পাশাপাশি  বাংলাদেশী এবং ভারতীয় মিলিয়ে দশ হাজার বাঙ্গালী রয়েছেন এই বারায়। ব্যবসা বানিজ্যের দিক থেকে বাঙালী এবং ভারতীয়রা এগিয়ে। মেয়র বলেন  বাঙ্গালী হিসেবে এই বারায় তিনি দ্বিতীয় মেয়র এর আগে ফারুক চৌধুরী মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মেয়র আরো জানান বাংলাদেশের প্রতিটি জাতীয় দিবস পালন করা হয় কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বিশেষ বিশেষ দিনে টাউন হলে আমাদের লাল সবুজের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি অন্যান্য দেশের পতাকাও উত্তোলন করা হয় টাউন হলে।

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মেয়র জানান ড্রাগ, ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং ক্রাইম এখন বিশ্বের অন্যতম সমস্যা, নবপ্রজন্ম যাতে উগ্রবাদের দিকে ধাবিত নায় হয়, এখানকার মালটি ফেইথ কমিউনিটি খুবই সচেতেন।

দশ সদস্যের প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন. মতিয়ার চৌধুরী, মুহাম্মদ শাহেদ রহমান, মোহাম্মদ সালেহ আহমদ, ড. আজিজুল আম্বিয়া, এসকেএম আশরাফুল হুদা, সাজিদুর রহমান, এ রহমান অলি ও মির্জা আবুল কাশেম।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close