কমিউনিটি
কমিউনিটি সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পেলেন মুহিবুর রহমান মুহিব

যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে কমিউনিটি সেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অনন্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ইউকে এবং গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মুহিবুর রহমান মুহিব পেয়েছেন আজীবন সম্মাননা। এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ডসের বার্ষিক গালা ডিনারে ১৭ নভেম্বর পশ্চিম লন্ডনের মেফেয়ার হোটেলে ফেডারেশন অফ এশিয়ান ক্যাটারার্স তাঁকে এ সম্মাননায় ভূষিত করে।
মুহিবুর রহমান মুহিব গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন কমিউনিটির উন্নয়নে নিরলস কাজ করে আসছেন। কোভিড-১৯ মহামারির মতো সংকটময় সময়ে তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রবাসী বাংলাদেশি ও স্থানীয় কমিউনিটির জন্য তাঁর মানবিক ও সাংগঠনিক উদ্যোগ শুধু যুক্তরাজ্যেই নয়, বাংলাদেশেও প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর কর্মকাণ্ড সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের জোয়ার এনেছে।
ফেডারেশন অফ এশিয়ান ক্যাটারার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মুহিবুর রহমান মুহিবের নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও ত্যাগ কমিউনিটির মানুষের জীবনে দারুণ প্রভাব ফেলেছে। এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
মুহিবুর রহমান মুহিবের এই অর্জন উদযাপন করতে গত ১৯ ডিসেম্বর পূর্ব লন্ডনের একটি অভিজাত হোটেলে তাঁর সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জনাব মুহিবকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন সাবেক সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা, এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ডসের অন্যতম আয়োজক ইয়াওয়ার খান, বিসিএ প্রেসিডেন্ট অলি খান এমবিই, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাহাস পাশা এবং আরও অনেকে গন্যমান্য দর্শনের লোকজন।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা মুহিবুর রহমান মুহিবের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, মুহিবুর রহমান মুহিবের এই সম্মাননা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং পুরো কমিউনিটির জন্য এক গর্বের বিষয়। তাঁর নেতৃত্ব ও ত্যাগ কমিউনিটির উন্নয়নের পথে এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
মুহিবুর রহমান মুহিব বলেন, এই পুরস্কার আমার জন্য দারুণ এক অনুপ্রেরণা। এটি আমাকে ভবিষ্যতে আরও বেশি মানবিক কাজ করতে উৎসাহিত করবে। মানুষের পাশে থাকার যে দায়িত্ব, তা যেন আরও দৃঢ়ভাবে পালন করতে পারি সেজন্য সকলের প্রার্থনা ও সহযোগিতা চাই।
জনাব মুহিবের এই অর্জন তাঁর দীর্ঘদিনের সেবামূলক কাজ এবং কমিউনিটির প্রতি গভীর অঙ্গীকারের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে। তাঁর নেতৃত্বে কমিউনিটি সেবা ও মানবিক কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে বলে আমাদেরও প্রত্যাশা।



