
সোমবার ১৭ মার্চ বিকালে পূর্ব লন্ডনের একটি হলে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মীর নূরানী রূপমা।
সংগঠনের কনভেনর কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ড. মুজিবুর রহমানের পরিচালনায় ‘প্রবাসীদের ক্ষমতায়ন: অধিকার, স্বীকৃতি ও জাতি গঠন – একটি এনআরবি প্রেক্ষাপট শীর্ষক আলোচনা সভায় কি নোট স্পিকার হিসেবে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিলেতের ইমিগ্র্যাশন জাজ সলিসিটর বেলায়েত হোসেন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব কে এম আবু তাহের চৌধুরী, নিউহাম কাউন্সিলের চেয়ার অব কাউন্সিল কাউন্সিলর রহিমা রহমান, সংগঠন এর কো- কনভেনর মসুদ আহমদ, টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম, গ্রেটার সিলেটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম কয়সর, সাবেক স্পীকার আহবাব হোসেন, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সিরাজ হক,কাউন্সিলর মুজিবুর রহমান জসিম কাউন্সিলর রিতা ইসলাম, সাউথ ইস্ট রিজিওনের কনভেনর হারুনার রশিদ, কো- কনভেনর জামাল হোসেন, সিনিয়র জয়েন্ট কনভেনর মোঃ তাজুল ইসলাম, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি তাইছির মাহমুদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নাহাস পাশা, সোসাইটি অব ব্রিটিশ বাংলাদেশী সলিসিটরস এর সভাপতি ব্যারিস্টার আব্দুল গাফফার, ওয়ার্ক পারমিট ক্লাউডের সত্ত্বাধিকারী ব্যারিস্টার লুৎফুর রহমান, বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাস্টের সেক্রেটারি গুলজার খান, ট্রেজারার আখলাক আহমদ,ও ব্যারিস্টার মাসুদ চৌধুরী প্রমুখ।

সেমিনারে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পিজিক্সে অধ্যয়ণরত সাইমুর মুজিব রহমান, ইকোনমিক্স এন্ড ম্যানেজমেন্টে অধ্যয়নরত মুক্তাদির আহমদ, ম্যাথসে অধ্যয়নরত তাহসিন এবং হিস্ট্রি এন্ড ফিলোসপিতে অধ্যয়নরত আমিরুল ইসলাম প্রবাসীদের ক্ষমতায়ন ও অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ গঠনে কি নোটের উপর তাদের মতামত তুলে ধরেন। প্রবাসী কমিউনিটি ও মেইনস্ট্রিম রাজনীতির সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ইফতার মাহফিল এক মিলন মেলায় রূপ নেয়। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন আলহাজ্ব হাফিজ মো: জিলু খাঁন।

সভায় বক্তারা প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রদানের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়নের প্রথম ধাপ সূচিত হতে পারে বলে সেমিনারে অভিমত ব্যক্ত করেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধে প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কার তথা জাতি গঠনে কমিউনিটির বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা যেতে পারে। প্রয়োজনে এই গ্ৰুপে বিভিন্ন সময়ে যার যার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবীদের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের বাস্তবসম্মত পন্থা বের করা সম্ভব হবে।



