বৃটেন
ওসমানী বিমানবন্দরের প্রতি রাষ্ট্রের উপেক্ষা আর নয়: প্রবাসী সিলেটিদের হুঁশিয়ারি ‘রেমিট্যান্স স্থগিত ও বিমান বয়কটের’ হুমকি

দীর্ঘদিনের অবহেলা আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে সিলেটি প্রবাসীদের ধৈর্যের বাঁধ যেন ভেঙে গেছে। যুগের পর যুগ প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করলেও, সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন আজও অধরা। এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম ও কার্ডিফে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুটি বিশাল প্রতিবাদ সভা। প্রবাসী সিলেটিরা সতর্ক করেছেন ,দ্রুত কার্যকর উন্নয়ন না ঘটলে তারা রেমিট্যান্স পাঠানো ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বয়কটের মতো কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।
বার্মিংহামের বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন এমবিই এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ফয়জুর রহমান চৌধুরী এমবিই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ‘ক্যাম্পেইন কমিটি ইউকে ফর ফুলি ফাংশনাল ওসমানী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’-এর আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কে এম আবু তাহের চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম থেকে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চললেও সিলেটের আকাশে নেই সে স্বাভাবিকতা। হাজারো প্রবাসীর দৃষ্টি এখন এই অনিয়মের প্রতিকারে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ মাহবুবুর রহমান কোরেশী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ ইয়াওর উদ্দিন এবং সাংবাদিক মোঃ আনোয়ার হোসেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এম এ লতিফ জেপি, আজাদ চৌধুরী এমবিই, আব্দুল মালিক পারভেজ, সৈয়দ জামশেদ আলী, মুফতি তাজুল ইসলামসহ অনেকে।
সভা শেষে ৪৭ সদস্যবিশিষ্ট বার্মিংহাম শাখার কমিটি গঠন করা হয়।
ফয়জুর রহমান চৌধুরী এমবিইকে আহ্বায়ক, আব্দুল মালিক পারভেজকে সদস্য সচিব এবং আব্দুল কাদির আবুলকে অর্থ সচিব করে এই কমিটি গঠিত হয়।
পরদিন ১৩ মে কার্ডিফ ওয়েলফেয়ার সেন্টারে আয়োজিত আরেকটি গণসভায় সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ মকিস মনসুর এবং পরিচালনায় ছিলেন মোহাম্মদ আসকর আলী।
বক্তারা বলেন, এই অবিচার আর চলতে দেওয়া যায় না। ওসমানী বিমানবন্দরকে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে, অন্যথায় বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ স্থগিত ও জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বয়কটের মতো কর্মসূচি নিতে হবে।
রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আত্মমর্যাদার প্রতিফলনের মূল্য দিতে ইউনূস সরকার কতটুকু প্রস্তুত এখন সময়ই বলে দেবে।



